যশোর শহরের মারজানের বোনকে জঙ্গিনেতা জঙ্গি বলে বনে করছেন পুলিশ
আমার প্রাণের বাংলা:
যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের ঘিরে রাখা বাড়িটি থেকে খাদিজাকে বেরিয়ে আসার
জন্য মাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে; যিনি জঙ্গিনেতা মারজানের বোন বলে পুলিশ
শনাক্ত করেছে। তবে পুলিশের আহ্বানে বাড়িটি থেকে কারো সাড়া পাওয়া যায়নি।
কিছু সময় আগে পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চারতলা বাড়িটির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে জঙ্গি নেতা মারজানের বোন আছে। অন্য একটি সূত্র বলছে, সন্দেহভাজন ওই নারী তার স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে ফ্লাটটিতে থাকতেন। বাড়িটি থেকে ইতিমধ্যে পাঁচটি পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ।
মারজান গত ৬ জানুয়ারি রাজধানীর মহম্মদপুরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন; যাকে শীর্ষস্থানীয় জঙ্গিনেতা বলে দাবি করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার বলছেন, মারজানের বোন খাদিজাকে বারান্দায় আসতে মাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে কোনো সাড়া মেলেনি। তাকে মোবাইল ফোন খোলারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। পুলিশ তার সঙ্গে কথা বলতে চায়। কিন্তু তিনি ফোন খুলছেন না।
এর আগে সকাল দশটার দিকে এসপি জানিয়েছিলেন, বাড়িটিতে থাকা ব্যক্তিদের আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান জানানো হবে।
এদিকে, সোমবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে সোয়াতের একটি গাড়ি ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের ওই বাড়ির গলির ভেতর ঢুকেছে। এছাড়া সেখানে আগে থেকে শ'খানেক পুলিশ সদস্য অবস্থান করছিলেন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে একটি অ্যাম্বুলেন্স।
প্রসঙ্গত, রোববার রাত ১০টার দিকে যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের একটি চারতলা বাড়ি ফিরে ফেলে পুলিশ। শহরে কিছু একটা ঘটছে বলে কোনো কোনো সংবাদকর্মী আঁচ করতে পারলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি। রাতে ঘোপ এলাকার রাস্তাগুলোতে পুলিশের গাড়ির চলাচল অস্বাভাবিক বেড়ে যেতে দেখা যায়। পুলিশের এই তৎপরতা সারারাত অব্যাহত ছিল।
যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের ঘিরে রাখা বাড়িটি থেকে খাদিজাকে বেরিয়ে আসার
জন্য মাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে; যিনি জঙ্গিনেতা মারজানের বোন বলে পুলিশ
শনাক্ত করেছে। তবে পুলিশের আহ্বানে বাড়িটি থেকে কারো সাড়া পাওয়া যায়নি।কিছু সময় আগে পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চারতলা বাড়িটির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে জঙ্গি নেতা মারজানের বোন আছে। অন্য একটি সূত্র বলছে, সন্দেহভাজন ওই নারী তার স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে ফ্লাটটিতে থাকতেন। বাড়িটি থেকে ইতিমধ্যে পাঁচটি পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ।
মারজান গত ৬ জানুয়ারি রাজধানীর মহম্মদপুরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন; যাকে শীর্ষস্থানীয় জঙ্গিনেতা বলে দাবি করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার বলছেন, মারজানের বোন খাদিজাকে বারান্দায় আসতে মাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে কোনো সাড়া মেলেনি। তাকে মোবাইল ফোন খোলারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। পুলিশ তার সঙ্গে কথা বলতে চায়। কিন্তু তিনি ফোন খুলছেন না।
এর আগে সকাল দশটার দিকে এসপি জানিয়েছিলেন, বাড়িটিতে থাকা ব্যক্তিদের আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান জানানো হবে।
এদিকে, সোমবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে সোয়াতের একটি গাড়ি ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের ওই বাড়ির গলির ভেতর ঢুকেছে। এছাড়া সেখানে আগে থেকে শ'খানেক পুলিশ সদস্য অবস্থান করছিলেন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে একটি অ্যাম্বুলেন্স।
প্রসঙ্গত, রোববার রাত ১০টার দিকে যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের একটি চারতলা বাড়ি ফিরে ফেলে পুলিশ। শহরে কিছু একটা ঘটছে বলে কোনো কোনো সংবাদকর্মী আঁচ করতে পারলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি। রাতে ঘোপ এলাকার রাস্তাগুলোতে পুলিশের গাড়ির চলাচল অস্বাভাবিক বেড়ে যেতে দেখা যায়। পুলিশের এই তৎপরতা সারারাত অব্যাহত ছিল।
No comments