২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে যশোরে সফটওয়্যার পার্কে
আমার প্রাণের বাংলা:
যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে
২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। শহরের বেজপাড়া এলাকায়
২৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। চলতি বছরের
ডিসেম্বরে সীমিত আকারে মানুষ এ পার্কে কাজ করার সুযোগ পাবে।
যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) জাহাঙ্গীর আলম গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তিতে আগ্রহী ২০ হাজার মানুষ এ পার্কে কাজের সুযোগ পাবে। কম্পিউটারের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং, কল সেন্টার ও রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট—এ চারটি ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশের আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) শিল্প উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। চলতি বছরের অক্টোবরে এ পার্কের উদ্বোধন হতে পারে। ডিসেম্বর নাগাদ মানুষ সীমিত আকারে এখানে কাজ করতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী।’
সম্প্রতি পার্কে সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমিকেরা রাত-দিন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ করছেন। বিশাল একটা এলাকাজুড়ে শ্রমিকেরা পার্ক নির্মাণের কাজে ব্যস্ত। পার্ককে কেন্দ্র করে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) সাবেক সভাপতি এম আর খায়রুল উমাম বলেন, ‘আইটি পার্ক ঘিরে এ অঞ্চলের মানুষ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। পার্কের আশপাশের মানুষেরও হয়তো অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। যে কারণে আমরা আশাবাদী হয়ে উঠেছি।’
এ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিসিএল অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের আবাসিক প্রকৌশলী মোর্শেদুল আলম জানান, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় সাড়ে নয় একর জমি ও জলাধারের ওপর প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের মূল ভবন ভূমিকম্প প্রতিরোধক কম্পোজিট কাঠামোতে (স্টিল ও কংক্রিট) নির্মিত হচ্ছে। প্রথম দফায় ১৫ তলা ভিত্তির ওপর পাঁচতলা ভবন নির্মিত হচ্ছে। পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের পাঁচটি অংশে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পার্কের মূল ভবনের সামনে পাঁচ একরের একটি বিশাল জলাধার থাকছে। যেখানে স্বচ্ছ পানিতে থাকবে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির মাছসহ জলজ প্রাণী। থাকবে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। এ ছাড়া মূল ভবনের দক্ষিণ পাশে থাকবে সবুজ বেষ্টনী। যেখানে কর্মীদের হাঁটার জন্য পথ থাকবে।
২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরে আন্তর্জাতিক মানের একটি আইটি পার্ক স্থাপনের ঘোষণা দেন। দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়।
#সূত্র প্রথম আলো
যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) জাহাঙ্গীর আলম গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তিতে আগ্রহী ২০ হাজার মানুষ এ পার্কে কাজের সুযোগ পাবে। কম্পিউটারের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং, কল সেন্টার ও রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট—এ চারটি ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশের আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) শিল্প উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। চলতি বছরের অক্টোবরে এ পার্কের উদ্বোধন হতে পারে। ডিসেম্বর নাগাদ মানুষ সীমিত আকারে এখানে কাজ করতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী।’
সম্প্রতি পার্কে সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমিকেরা রাত-দিন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ করছেন। বিশাল একটা এলাকাজুড়ে শ্রমিকেরা পার্ক নির্মাণের কাজে ব্যস্ত। পার্ককে কেন্দ্র করে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) সাবেক সভাপতি এম আর খায়রুল উমাম বলেন, ‘আইটি পার্ক ঘিরে এ অঞ্চলের মানুষ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। পার্কের আশপাশের মানুষেরও হয়তো অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। যে কারণে আমরা আশাবাদী হয়ে উঠেছি।’
এ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিসিএল অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের আবাসিক প্রকৌশলী মোর্শেদুল আলম জানান, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় সাড়ে নয় একর জমি ও জলাধারের ওপর প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের মূল ভবন ভূমিকম্প প্রতিরোধক কম্পোজিট কাঠামোতে (স্টিল ও কংক্রিট) নির্মিত হচ্ছে। প্রথম দফায় ১৫ তলা ভিত্তির ওপর পাঁচতলা ভবন নির্মিত হচ্ছে। পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের পাঁচটি অংশে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পার্কের মূল ভবনের সামনে পাঁচ একরের একটি বিশাল জলাধার থাকছে। যেখানে স্বচ্ছ পানিতে থাকবে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির মাছসহ জলজ প্রাণী। থাকবে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। এ ছাড়া মূল ভবনের দক্ষিণ পাশে থাকবে সবুজ বেষ্টনী। যেখানে কর্মীদের হাঁটার জন্য পথ থাকবে।
২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরে আন্তর্জাতিক মানের একটি আইটি পার্ক স্থাপনের ঘোষণা দেন। দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়।
#সূত্র প্রথম আলো
No comments