Header Ads

সমাপ্ত গল্প, অসমাপ্ত অবস্থায় শেষ

আমার প্রাণের বাংলা:
বৃষ্টিতে ভিজ্ছি,আমি আর তমা।একটু ঠান্ডা লাগলেও বন্ধুর সাথে বৃষ্টি তে ভিজার মজাই আলাদা। তমার সাথে আমার পরিচয় ২০১৮ সালে। কলেজে ফার্স্ট ক্লাস। আমার পাশে বসে থাকা এটি সুন্দর মেয়ের দিকে, মেয়েটি দেখতে অসম্ভব সুন্দর জানি সুন্দর দেখলেই আমাদের চোখ দাঁড়িয়ে যায়। আমি তার ব্যাতিক্রম নয়, তবে তার সুন্দয্যের তারিফ করতে পারলাম না। সময় আর পরিবেশ কোনটি আমার অনুকুলে নেই।

            ক্লাস শেষে আমি মেয়ে টার  কাছে যাই, মেয়েটার সাথে কথা বলতে চাচ্ছিলাম, কিন্ত সাহস পাচ্ছিলাম না। সেদিন আর কথা বলা হলো না। বাসায় ফিরে আসি। রাতে তমা কে সপ্নে দেখি। তারমানে প্রেমে পরে গেছি। যে ভাবেই হোক তমা কে অফার করতে হবে কালকে, মনে মনে ভেবে নিলাম। কিন্তু সে গুড়ে বালি। কলেজে গিয়ে শুনি অলরেডি তার পিছনে লাইন আছে। মনে মনে ভাবলাম এতো লোকের ভিতর তমা তার সত্যি কারের ভালবাসা খুজে নিতে পারবে না। তাই আর বলা হলো না। কিন্তু কিছুদিন পর তমার সাথে আমার বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। লেখাপড়ার কথা ছাড়া আমাদের মাঝে অন্য কনো কথা হত না। কিন্তু আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না। একদিন সকালে আমি তমা কে ফোন  দেই।
-হ্যালো
-হ্যা,
তমা তুই কই?
 -বাসায়,ক্যানো কি ব্যাপার? –
তুই একটু আমাদের কলেজের কফিহাউজে আয়।
আমি একটু ব্যস্তো....
ওকে আসছি।
আজ নীল একটা শারি পরেছে ও। দারুন লাগছে ওকে। -কি হয়েছে  এতো জরুরি তলব, বলতো এবার, প্রেমে পরেছিস নাকি? -হুমম । -মেয়েটা কে? আমি কিছু সময় চুপ করে থেকে উত্তের টা দিলাম। উত্তর টা শুনে আমার মুখের দিক চেয়ে বলতে লাগলো - তোর মত একটা আনস্মার্ট ছেলের সাথে আমি! অসম্ভব! তুই ভালো করে জানিস সৌরভ, আমি  তমা কে ভালবাসি। তোর চেয়ে স্মার্ট  সে।so তুই পথ মাপতে পারিস এখন, আর শোন আমাকে কোনো সময় আর ফোন দিবি না।
 আমি ওর কথাগুলো শুনে থ মেরে গেলাম। নিজের কান কে বিশ্বাষ করতে পারছিলাম না। ওকে কিছু না বলেই আমি চলে আসলাম।কিছুদিন পর আমার রেজাল্ট আউট হয়। ঢাকা এসে ভার্সিটিতে এডমিশন নেই। কিছুদিন পর তমার সাথে দেখা হয় তিরঝিলে। ওর
মুখে শুনি যে ওদের ব্রেকআপের কথা। হঠাৎ আম্মি অসুস্থ হয়ে পরায় আমার জন্মস্থান আর অসংখ্য স্মৃতিময় গ্রামে ফিরে আসতে হয়। সে দিন সেই কফিহাউজে বসে ফ্রেন্ড দের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ একটা ফোন আসে। ফোনটা রিসিভ করতেই আমার বুকটা কেপে উঠলো। -হ্যালো,সৌরভ একটু সময় হবে তোর কাছে? আমার গলাটা কাপছিলো -তমা তুই এতোদিন পর.... -একটু ভিতরে আয়। আমি দেরি না করে কফি হাউজের  ভিতরে গেলাম, দেখলাম তমা বসে আছে সেই ণীল শাড়ী পড়ে। আমি গিয়ে ওর সামনে বসতেই বলতে লাগলো..  -আমি তোকে অনেক কষ্ট দিয়েছি না?

আমি ওর মুখের দিকে চেয়ে বল্লাম -হঠাৎ এমন মনে হলো কেন তোর? - জীবনে চলতে চলতে আমি পথ হারিয়ে ফেলেছি, আমাকে তুই পথ টা চিনিয়ে দিবি? আমি ওর মুখের দিকে চেয়ে আছি। দেখলাম একফোটা অশ্রু ওর চোখের কোণ বেয়ে ঝড়ে পরলো। মানুষ মিথ্যা বল্লেও  চোখের  পানি কোনদিন মিথ্যা বলেনা। আমি ওর হাতটা ধরে বল্লাম - আমি আগে যেমন তোকে নিয়ে ভাবতাম ,এখোনো তেমনটি ভাবছি,আর যতদিন বাচবো ততদিন এমনটিই শুধুই ভাবতেই চাই। থাকবি আমার জীবনে ! আমার ভবনা হয়ে। ও আমাকে বললো -অনেক স্মার্ট হয়ে গেছিস দেখি!" হ্যা -তোর জন্য। তারপর একটি শুকনো গাছ আবার নতুন স্বপ্ন দেখা শুরা করলো বাঁচবার।


দোয়া  করবেন  আমাদের  জন্য।

No comments

Powered by Blogger.