Header Ads

যষ্টিমধু ও জিনসেং উপকারিতা

যষ্টিমধু

যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়
উপকারিতা


*
কাশি, গলাব্যথা, রক্তক্ষরণ বন্ধ করতেও যষ্টিমধুর তুলনা নেই
*
যাঁরা এসিডিটিতে ভোগেন, তাঁরা ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, উপকার পাবেন
*
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন, স্মৃতিশক্তি বাড়বে
*
ত্বক উজ্জ্বল মসৃণ করতে যষ্টিমধু ঘি একত্রে মিশিয়ে ব্যবহার করুন এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ দাগ দূর করে
*
যষ্টিমধু, তিলের তেল আমলকী একত্রে মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয়, খুশকি থাকে না
জিনসেং
জিনসেং (ইংরেজি ভাষায়: Ginseng) Araliaceae পরিবারের Panax গণের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি এটি মাংসল মূলবিশিষ্ট এক ধরনের বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ এটি উত্তর গোলার্ধে পূর্ব এশিয়াতে, বিশেষ করে চীন, কোরিয়া পূর্ব সাইবেরিয়াতে, ঠান্ডা পরিবেশে জন্মেশক্তিবর্ধক টনিক হিসেবে বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের প্রচলন আছে জিনসেং শব্দটা উচ্চারণের সাথে যে দেশটির নাম উচ্চারিত হয় সেটি হলো কোরিয়া জিনসেংকে অনেকে কোরিয়ান ভায়াগ্র বলে থাকে
আসলে জিনসেং কী? Ginseng হলো গাছের মূল এই গাছটির নামই Ginseng হাজার হাজার বছর ধরে কোরিয়াতে জিনসেং ওষুধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে জিনসেং গাছের মূল রোগ প্রতিরোধক এবং ইংরেজিতে বললে বলতে হয় Proactivetool in warding off discase জিনসেংকে কোরিয়ানরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকে এর পুরো মূল সুপে দিয়ে দেয়, সিদ্ধ মূল খেতে হয় চিবিয়ে চিবিয়ে এর নির্যাস নিতে হয় জিনসেং দিয়ে মদও তৈরি হয় এছাড়াও জিনসেং-এর
জিনসেং চাষ পদ্ধিতি
জিনসেং কোরিয়াতে এবং দেশের বাইরে জনপ্রিয় হলেও এর চাষাবাদ কিন্তু বেশ কঠিন বর্হিবিশ্বে জিনসেং-এর প্রচুর চাহিদা মেটানোর জন্য কোরিয়ার Gyeong sangbuk-do প্রদেশের পুঞ্জী এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে জিনসেং-এর সফল চাষাবাদ চলছে সেই ১১২২ খ্রিস্টাব্দ থেকে এই পুঞ্জী এলাকা জিনসেং দেশ হিসাবে ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত ষোলশো শতাব্দী থেকেই এই এলাকায় জিনসেং খামার গড়ে উঠেছে বর্তমানে এটি কোরিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিনসেং উৎপাদনকারী এলাকা


পুঞ্জীতে Sobeaksan পাহাড়ে ৪০০-৫০০ মিটার উচ্চতায় জিনসেং-এর চাষ করা হয় পাহাড়ের শীতল আবহাওয়া এবং উর্বর মাটি পুঞ্জী এলাকার জিনসেং-কে বলশালী করে তোলে প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথমদিকে পুঞ্জীতে জিনসেং উৎসব হয়ে থাকে এই উৎসবে খেত থেকে সদ্য তোলা জিনসেং-এর স্বাদ গ্রহণ করা যায় পরিভ্রমণকারীরা জিনসেং তুলবার অভিজ্ঞতাও নিতে পারে এই উৎসবে জিনসেং উৎসবে আয়োজন করা হয় নানা রকম প্রতিযোগিতার এর একটি হলো দি বেস্ট জিনসেং অর্থাৎ কোন জিনসেং মূলটি দেখতে সবচে আকর্ষণীয় এর জন্য ৪টি শর্ত হলো: () মূলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং একই সাথে মূলটি দেখতে একজন মানুষের আকৃতির কতটা কাছাকাছি হয়েছে () মূলের বাইরের স্তরের পুরুত্ব এবং মূলের ওজন () মূলের দৈর্ঘ্য এবং () জিনসেং মূলটির বয়স ছয় বছর হতে হবে কারণ গাছের বয়স ছয় বছরের উপরে চলে গেলে মূল শক্ত হয়ে যায় এবং এর ওয়ুধি গুণাগুণ হ্রাস পায় অবশ্য যে সব জিনসেং বন-বাদাড়ে প্রাকৃতিকভাব্ জন্মায় সেগুলোর মূলের গুণাগুণ ছয় বছরের পরও বিদ্যমান থাকে উৎসবে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী জিনসেং মূল কিনতে চাইলে বিজয়ী খামার মালিকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে

তাছাড়া আরেকটি প্রতিযোগিতা হলো জিনসেং কুকার্স কনটেস্ট এই প্রতিযোগিতা জিনসেংকে খাবার হিসাবে বিভিন্নভাবে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে আয়োজন করা হয় এতে মূল চিন্তাধারাকে অক্ষুণœ রেখে সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হয় জিনসেং বলদানকারী এক জাতের গাছের মূল, কাজেই সে দিকটা বিবেচনায় রেখে উৎসবে কুস্তি প্রতিযোগতার আয়োজনও করা

হয়

No comments

Powered by Blogger.